ওয়ার্ড রেডিও ডে উপলক্ষে হৈমন্তীর কন্ঠে ও দ্যা ড্রিমার্স আয়োজিত “কান পেতে রই” অনুষ্ঠানে সম্বর্ধনা দেওয়া হলো রেডিওর কিংবদন্তি কন্ঠ শ্রাবন্তী মজুমদারকে। উপস্থিত ছিলেন হৈমন্তী রায়, সৌম্য দাশগুপ্ত, দেবাশিস বসু, সুদীপ্ত চন্দ প্রমুখ দক্ষিণ কলকাতার ‘দ্যা ইয়েলো টার্টেল’ রেস্তোরাঁয়। অনুষ্ঠানে পরে রেডিওর গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়। সঙ্গীত পরিবেশন করেন হৈমন্তী রায়।
দেবাশিস বসুর সঙ্গে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় শ্রাবন্তী মজুমদার বলেন কলকাতায় আসা থেকেই স্মৃতিচারণ করে চলেছেন। পিছনে ফিরে তাকাতে হয় বটেই, তবে শুধু স্মৃতি আঁকড়ে ধরে রাখলে হয়না। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। উঁনি আরো জানান আসলে এসেছিলেন গান গাইবেন বলে। বেতার মাধ্যমে তাঁর কাজ করার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। অনেক কিছু তিনি কাজ করতে, করতে শিখেছেন। তিনি আশা রাখেন আবারও গুণগত মানের কাজ আবার আরো বেশি করে হবে। চক্রাকারে সময়ের হাত ধরে আবার একটা প্রজন্ম আসবেন যাঁরা গুণগত মান নিয়ে অনেক বেশি সচেতন হবেন।
আলোচনায় উঠে আসে বেতার নাটক, বিজ্ঞাপনের গান, বিভিন্ন জনপ্রিয় বেতার অনুষ্ঠানের কথা।
সুধীন দাশগুপ্ত এর পুত্র বিশিষ্ট সুরকার ও যন্ত্রী সৌম্য দাশগুপ্ত মনে করেন শ্রাবন্তী মজুমদারের সঙ্গে রেকর্ডিং এর মুহূর্তের কথা। বলেন সে সময় পঁচিশ টাকা পেতেন রেকডিং এ বাজিয়ে। এমনকি বিজ্ঞাপনের গানেরও অনেক গুলো সুর করা হতো, তার থেকে সেরাটা বেছে নেওয়া হতো। আর এই প্রজন্মের বিশিষ্ট রেডিও উপস্থাপক রাজা দাস বলেন শ্রাবন্তী মজুমদার, দেবাশিস বসু এই প্রজন্মের থেকেই শিখেছি অনেক কিছু। রেডিওর মতো বন্ধু খুব কম হয়। এই অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্যোক্তা হৈমন্তী রায় বলেন ছেলেবেলায় রেডিও ছিল ভীষণ কাছের এক সঙ্গী, বেড়াতে গেলেও সাথে থাকতো রেডিও।
পরে গান পরিবেশন করেন হৈমন্তী রায়। উল্লেখ্যযোগ্য গানের মধ্যে ‘আমি বাংলায় গান গাই’, ‘আজ গুণ,গুণ গুণ কুঞ্জে আমার’, ‘তখন তোমার একুশ বছর বোধ হয়’, ‘সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা’,বেশ ভালো লাগে।


