অর্কেস্ট্রায় কিংবদন্তি বাঙালি সুরকারদের সুরের মূর্ছনা সঙ্গে কবিতার কোলাজ, মঞ্চে অন্য স্বাদের অনুষ্ঠান এর আয়োজন করল হৈমন্তীর কন্ঠে সংস্থা।
বহুল প্রতীক্ষিত হৈমন্তীর রায় এর পৃষ্ঠপোষকতায় ‘হৈমন্তীর কণ্ঠে’ সাংস্কৃতিক মহোৎসব এর পঞ্চম বর্ষপূর্তি উদযাপন হয়ে গেল সম্প্রতি সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়ামে। এদিনের সন্ধ্যা ছিল সঙ্গীত ও নৃত্য মিলিয়ে এক সংস্কৃতির মহাসম্মিলন।
গত ১৯ই অক্টোবর, ২০২৫, সত্যজিৎ রায় অডিটোরিয়াম, ( আই সি সি আর ) আয়োজিত হয়েছিল এই উৎসবের।
এ বছরের মহোৎসবে ছিল এক অভূতপূর্ব সঙ্গীত ও নৃত্যের মেলবন্ধন।
ছিল রবীন্দ্রসঙ্গীত, বাংলা ও হিন্দী আধুনিক গান, গজল এবং লোকসঙ্গীত, এসবের সঙ্গে নানান কবির কবিতার কোলাজ। এছাড়া ছিল লাইভ অর্কেস্ট্রা, যারা পরিবেশন করলেন ভারতীয় সঙ্গীতে বাঙালি সুরকারদের অনবদ্য সৃষ্টি। অর্কেস্ট্রায় বাঙালি সুরকারদের সুরের মূর্ছনায় সলিল চৌধুরী , রাহুল দেব বর্মন, সুধীন দাশগুপ্ত, শচীন দেব বর্মন শের মতো দিকপাল সুরকারদের গানের সুর গ্রুপ ভায়োলিনে মন ভরিয়ে দেয়।পরিচালনায় কলকাতা ইয়ুথ অনসম্বল এর অমিতাভ ঘোষ।
মহোৎসবে মঞ্চস্থ হলো ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্য। কত্থক থেকে ভরতনাট্যম নানা স্বাদের ভারতীয় শাস্ত্রীয় নৃত্য দর্শকদের আনন্দ দেয়।
এ বছরের বিশেষ আকর্ষণ ছিল হৈমন্তী রায় এর গান, আবৃত্তি ও মুগ্ধকর কত্থক নৃত্য পরিবেশনা। একই শিল্পীর এক সন্ধ্যায় তিন ভিন্নধর্মী পরিবেশনা ছিল চমকের মতো। এক কথায় বহুমুখী প্রতিভার নিদর্শন উপস্থাপনা করলেন হৈমন্তী রায় তাঁর দর্শকদের সামনে। গানে, গানে স্মরণ করলেন সদ্য প্রয়াত সঙ্গীত শিল্পী জুবিন গর্গ-কে।
হৈমন্তী রায় জানান,” সংস্কৃতি ও সৃজনশীলতার প্রেমীদের জন্য এই পঞ্চম বর্ষপূর্তি মহোৎসব ছিল আমার কাছে এক স্মরণীয় মুহূর্ত।”


