বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউটের VSAT ২০২৬-এর সূচনা, বাংলার বৃহত্তম বৃত্তি ও মেধা-পরিমাপ পরীক্ষার নতুন অধ্যায়

Date:

Share:

পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান নিট, জেইই এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রস্তুতি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউট আজ VSAT ২০২৬-এর সূচনার ঘোষণা করেছে। VSAT-এর পূর্ণরূপ বিদ্যাসিদ্ধি বৃত্তি ও মেধা-পরিমাপ পরীক্ষা। মানসম্মত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শিক্ষার সুযোগ আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে পরিকল্পিত এই পরীক্ষা পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলার ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছে যাবে। পরীক্ষায় সরাসরি এবং ইন্টারনেট-ভিত্তিক—দুই মাধ্যমেই অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে এবং ইনস্টিটিউট এর শ্রেণিকক্ষ ভিত্তিক শিক্ষাক্রমে মেধার ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়া হবে।

VSAT-এ বর্তমানে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রী, দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রী এবং নিট/জেইই পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা অংশ নিতে পারবেন। সরাসরি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ২৭ সেপ্টেম্বর এবং ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ। ইন্টারনেট-ভিত্তিক পরীক্ষা চলবে ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত একটি সুবিধাজনক সময়সীমায়। পরীক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের দিনে যেকোনও একটি এক ঘণ্টার সময়সীমা বেছে নিতে পারবেন। নাম নথিভুক্তির শেষ তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

প্রতিটি প্রশ্নপত্রে থাকবে ৫০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন, মোট ১০০ নম্বর। পরীক্ষা শেষ করার জন্য সময় থাকবে ৬০ মিনিট এবং কোনও ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হবে না। ফলে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী সম্পূর্ণ প্রশ্নপত্রের উত্তর দেওয়ার এবং নিজের প্রকৃত মেধা ও দক্ষতা প্রকাশ করার সুযোগ পাবে। পাঠ্যসূচি সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সপ্তম-অষ্টম শ্রেণির ভিত্তিমূলক শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিট ও জেইই পরীক্ষার্থী এবং পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য সাতটি পৃথক শ্রেণি বিভাগ পরিকল্পিত। এর ফলে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে তার শিক্ষাগত স্তরের উপযুক্ত মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে।

বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহীর বার্তা

“VSAT আমাদের কাছে শুধুমাত্র একটি বৃত্তি পরীক্ষা নয়। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি প্রান্তে থাকা সম্ভাবনাকে চিহ্নিত করা এবং সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য ছাত্রছাত্রীদের একটি প্রকৃত পথ তৈরি করাই এর উদ্দেশ্য। VSAT-এর মাধ্যমে আমরা ছাত্রছাত্রীরা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের কাছে পৌঁছাতে চাই। আমরা তাদের নিজেদের মেধা ও দক্ষতার মান যাচাই করার, নিজেদের শক্তির দিকগুলি আবিষ্কার করার এবং আরও বড় শিক্ষাগত লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতে চাই।”

— রবি কুমার, প্রধান নির্বাহী, বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউট

“বিদ্যাসিদ্ধি এই বিশ্বাসের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে যে শিক্ষার মূল চালিকাশক্তি হবেন শিক্ষকরা এবং শেখার প্রক্রিয়াই থাকবে আমাদের সমস্ত কাজের কেন্দ্রে। VSAT সেই দর্শনেরই স্বাভাবিক সম্প্রসারণ। আমরা চাই ছাত্রছাত্রীরা শুধু নম্বরের দিকে না তাকিয়ে নিজেদের মেধা, সম্ভাবনা এবং নিট ও জেইই-এর মতো কঠিন পরীক্ষার দীর্ঘ প্রস্তুতির জন্য নিজেদের প্রস্তুতিকে বুঝতে শিখুক।”

— রবি কুমার, প্রধান নির্বাহী, বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউট

প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীর জন্য পরিকল্পিত বৃত্তি ও পুরস্কার কর্মসূচি

VSAT এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে শুধু সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীরা নয়, প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী কোনও না কোনও ভাবে স্বীকৃতি পায়। বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউট এর নিট, জেইই, বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং বোর্ড পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক যোগ্য শ্রেণিকক্ষ ভিত্তিক শিক্ষাক্রমে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত মেধাভিত্তিক বৃত্তি দেওয়া হবে। ছাত্রছাত্রীর প্রাপ্ত শতাংশ নম্বর এবং শ্রেণিবিভাগের ভিত্তিতে বৃত্তির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। বৃত্তির পাশাপাশি VSAT-এর পাঁচ-স্তরীয় পুরস্কার কাঠামো প্রতিটি স্তরের সাফল্যকে স্বীকৃতি দেবে।

স্থান / শ্রেণিবিভাগপুরস্কার
রাজ্য সেরাল্যাপটপ + ট্রফি + রাজ্যস্তরে স্থান-প্রমাণপত্র
২য়–৫ম স্থানট্যাবলেট / স্মার্ট ঘড়ি
৬ষ্ঠ–২০তম স্থানব্লুটুথ হেডফোন / স্মার্ট যন্ত্র
২১তম–১০০তম স্থানউপহার সামগ্রী + পদক
প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীডিজিটাল শংসাপত্র + বিস্তারিত ফলাফল প্রতিবেদন

এই পাঁচ-স্তরীয় কাঠামোর পাশাপাশি প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে উৎকর্ষ, মেধা অথবা অংশগ্রহণের শংসাপত্র দেওয়া হবে। এর সঙ্গে থাকবে রাজ্য ও জেলা স্তরের স্থান-স্বীকৃতি এবং যোগ্য বিদ্যালয়ের জন্য বিদ্যালয় সেরা শংসাপত্র।

সর্বোচ্চ ফলাফলকারী ছাত্রছাত্রীরা আরও পাবেন বিষয়ভিত্তিক ব্যক্তিগত ফলাফল বিশ্লেষণ, বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতাদের সঙ্গে একান্ত পেশাগত পরামর্শ, ব্যক্তিগত শিক্ষাগত পরিকল্পনা, বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউটে অগ্রাধিকারভিত্তিক ভর্তি এবং নিট, জেইই, অলিম্পিয়াড ও বোর্ড পরীক্ষার জন্য দিকনির্দেশনা। সব মিলিয়ে বৃত্তি, বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও প্রযুক্তিগত সামগ্রী, শংসাপত্র এবং পরামর্শদানের এই সমন্বিত ব্যবস্থা VSAT ২০২৬-কে রাজ্যের অন্যতম সর্বাঙ্গীন ছাত্রছাত্রী-পুরস্কার কর্মসূচিতে পরিণত করেছে।

ছাত্রছাত্রী-কেন্দ্রিক উদ্যোগ

বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউট VSAT-কে এমন একটি মূল্যায়ন হিসেবে পরিকল্পনা করেছে যেখানে ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হবে না এবং পরীক্ষার চাপ ও তুলনামূলকভাবে কম থাকবে। ফলে ছাত্রছাত্রীরা এটিকে আর একটি অত্যন্ত চাপপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে নয়, বরং নিজেদের সম্ভাবনা আবিষ্কারের প্রকৃত সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে।

পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলার সবকটিকেই পরিকল্পিতভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা তাঁরা যে এলাকাতেই থাকুক না কেন, বৃত্তি, স্বীকৃতি এবং পরামর্শ পাওয়ার সমান সুযোগ পায়। এই উদ্যোগ শুধু পরীক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। স্থান নির্বিশেষে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারী একটি বিস্তারিত ফলাফল প্রতিবেদন এবং শংসাপত্র পাবে। এর মাধ্যমে ইনস্টিটিউটের এই বিশ্বাস প্রতিফলিত হয় যে আন্তরিক ও ইতিবাচক উৎসাহ আত্মবিশ্বাসী এবং সক্ষম শিক্ষার্থী গড়ে তোলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

সেরা ফলাফলকারী ছাত্র ছাত্রী তৈরিতে ধারাবাহিক সাফল্য প্রাপ্ত শিক্ষক সমাজ

VSAT-এর ভিত্তি হল সেই একই শিক্ষাগত শক্তি, যা বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউটের শ্রেণিকক্ষ ভিত্তিক শিক্ষাক্রমের বৈশিষ্ট্য। এখানে রয়েছেন অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একটি দল, যাঁরা বছরের পর বছর ছাত্রছাত্রীদের নিট ও জেইই পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জনে সহায়তা করে আসছেন।

ইনস্টিটিউট এর শিক্ষাদান পদ্ধতিতে ধারণাভিত্তিক শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। মুখস্থনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে শক্তিশালী মৌলিক ধারণা এবং বাস্তব প্রয়োগের উপর জোর দেওয়া হয়। এর সঙ্গে রয়েছে নিয়মিত মূল্যায়ন এবং প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর জন্য ব্যক্তিগত শিক্ষাগত পরামর্শ। এই একই কঠোরতা এবং পরামর্শদানের ব্যবস্থা VSAT-এর মাধ্যমে এখন সমগ্র বাংলার ছাত্রছাত্রীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে—তাঁরা বর্তমানে ইনস্টিটিউটে পড়াশোনা করুক বা না করুক।

VSAT ২০২৬ সম্পর্কে জানার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

● সমগ্র বাংলার জন্য শিক্ষাগত সুযোগ: পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলার ছাত্রছাত্রীদের জন্য VSAT উন্মুক্ত। কলকাতার পাশাপাশি জেলা শহর ও ছোট ছোট এলাকার ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ও এটি একটি অভিন্ন মঞ্চ তৈরি করবে।

● বিস্তৃত যোগ্যতা: বর্তমানে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনা করা ছাত্রছাত্রী, দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রী এবং নিট/জেইই পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। প্রত্যেক কে উপযুক্ত শ্রেণীবিভাগের মধ্যে মূল্যায়ন করা হবে।

● সরাসরি ও ইন্টারনেট-ভিত্তিক—দুই মাধ্যমেই অংশগ্রহণ: ছাত্রছাত্রীরা সরাসরি পরীক্ষা দিতে পারবে—২৭ সেপ্টেম্বর অথবা ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ, ওএমআর পদ্ধতিতে। অথবা ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে যেকোন ও একটি এক ঘণ্টার সময় বেছে নিয়ে ইন্টারনেট-ভিত্তিক কম্পিউটার পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।

● ন্যায্য ও কম চাপের পরীক্ষা: ৫০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন, ১০০ নম্বর, ৬০ মিনিট এবং ভুল উত্তরের জন্য কোনও নম্বর কাটা হবে না। ফলে ছাত্রছাত্রীরা প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার এবং নিজেদের প্রকৃত সম্ভাবনা প্রকাশ করার সুযোগ পাবে।

● প্রত্যেক অংশ গ্রহণকারীর জন্য পুরস্কার ও স্বীকৃতি: রাজ্যসেরার জন্য ল্যাপটপ, ট্রফি এবং রাজ্য স্তরের স্থান-প্রমাণপত্র থেকে শুরু করে প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীর জন্য ডিজিটাল শংসাপত্র ও বিস্তারিত ফলাফল প্রতিবেদন—প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীর সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

নিট ও জেইই-এর জন্য শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি

বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউটের শিক্ষাক্রমের মধ্যে রয়েছে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির জন্য ভিত্তিমূলক পাঠক্রম এবং একাদশ, দ্বাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ ছাত্র ছাত্রীদের জন্য চিকিৎসাবিজ্ঞান ও প্রকৌশল শিক্ষার প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট ও জেইই-এর বিশেষ প্রস্তুতি। এখানে ধারণার স্বচ্ছতা, পরিকল্পিত প্রস্তুতি এবং দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষাগত বিকাশের উপর ধারাবাহিক গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ইনস্টিটিউটের বিশ্বাস, ভারতের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রস্তুতি শুধুমাত্র একাদশ বা দ্বাদশ শ্রেণি থেকে শুরু করা উচিত নয়। ছোটবেলা থেকেই শক্তিশালী ভিত্তি এবং সঠিক শিক্ষাগত দিকনির্দেশ তৈরি করা হলে তা প্রায়শই একজন ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

VSAT-এর মাধ্যমে বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউট তার বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার পরিধি আরও বিস্তৃত করছে এবং রাজ্যজুড়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করছে।

বাংলার জন্য আরও বৃহত্তর লক্ষ্য

VSAT-এর সূচনা একটি বৃহত্তর উদ্দেশ্যের প্রতিফলন—এমন একটি রাজ্যব্যাপী মঞ্চ তৈরি করা, যেখানে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের সম্ভাবনা প্রদর্শন করতে পারবে এবং অবস্থান বা আর্থিক পটভূমি নির্বিশেষে প্রকৃত সুযোগ পাবে।

বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউটের কাছে VSAT হল ছাত্রছাত্রীদের সম্ভাবনা এবং মানসম্মত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার শিক্ষার মধ্যে একটি সেতুবন্ধন। বিশেষ করে সেইসব ছাত্রছাত্রীদের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ, যাঁদের অন্যথায় প্রতিষ্ঠিত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থার সুযোগ পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকদের মধ্যে অল্প বয়সেই মেধা ও দক্ষতা চিহ্নিত করা, শক্তিশালী বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং নিট, জেইই ও তার পরবর্তী পর্যায়ের জন্য পরিকল্পিত ও শিক্ষক-নির্দেশিত প্রস্তুতির গুরুত্ব সম্পর্কে আরও সচেতনতা তৈরি হবে বলে ইনস্টিটিউট আশা করছে।

VSAT ২০২৬ এক নজরে

পরীক্ষাVSAT – বিদ্যাসিদ্ধি বৃত্তি ও মেধা-পরিমাপ পরীক্ষা ২০২৬
যোগ্যতাসপ্তম–দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছাত্রী, দ্বাদশ শ্রেণি উত্তীর্ণ ছাত্রছাত্রী এবং নিট/জেইই পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী
ভৌগোলিক পরিধিপশ্চিমবঙ্গের সমস্ত ২৩টি জেলা
সরাসরি পরীক্ষার তারিখ২৭ সেপ্টেম্বর ও ৪ অক্টোবর ২০২৬
ইন্টারনেট-ভিত্তিক পরীক্ষার সময়সীমা২৭ সেপ্টেম্বর–৪ অক্টোবর ২০২৬ (প্রতিদিন যেকোনও একটি এক ঘণ্টার সময়সীমা)
পরীক্ষার মাধ্যমসরাসরি (ওএমআর-ভিত্তিক) ও ইন্টারনেট-ভিত্তিক (কম্পিউটার-ভিত্তিক পরীক্ষা)
পরীক্ষার ধরন৫০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন | ১০০ নম্বর | ৬০ মিনিট | ভুল উত্তরের জন্য নম্বর কাটা হবে না
নাম নথিভুক্তির শেষ তারিখ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিক্ষাবর্ষ২০২৭–২৮
মূল বিষয়নিট, জেইই ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (সপ্তম–দ্বাদশ শ্রেণি)

বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউট সম্পর্কে

বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউট পূর্ব ভারতের অন্যতম উদীয়মান প্রধান প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এটি নিট, জেইই এবং ভিত্তিমূলক শিক্ষার জন্য ছাত্র ছাত্রীদের প্রস্তুত করার পাশাপাশি আগামী দিনের চিকিৎসক, প্রকৌশলী এবং নেতৃত্ব দাতা তৈরি করার লক্ষ্যে কাজ করে।

শিক্ষক-নির্দেশিত পদ্ধতির উপর প্রতিষ্ঠিত এই ইনস্টিটিউট চারটি মূল স্তম্ভের উপর গড়ে উঠেছে—শিক্ষাগত ক্ষেত্রে সেরা ফলাফলকারী ছাত্রছাত্রী তৈরিতে প্রমাণিত ও ধারাবাহিক সাফল্য সম্পন্ন অভিজ্ঞ শিক্ষক সমাজ; ধারণা ভিত্তিক শিক্ষা, যেখানে মুখস্থবিদ্যার পরিবর্তে শক্তিশালী মৌলিক ধারণা ও প্রয়োগ কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়; নিয়মিত মূল্যায়ন, যার মাধ্যমে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হয়; এবং ব্যক্তিগত পরামর্শদান, যার মাধ্যমে প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীর ব্যক্তিগত মনোযোগ ও সংশয় নিরসনের সহায়তা পায়।

এর মূল দর্শন “শিক্ষকদের দ্বারা পরিচালিত, শিক্ষার দ্বারা অনুপ্রাণিত”—যা নম্বরের পরিবর্তে প্রকৃত শিক্ষাকে প্রত্যেক ছাত্র ছাত্রীর শিক্ষাজীবনের কেন্দ্রে রাখার প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

VSAT-এর মাধ্যমে বিদ্যাসিদ্ধি ইনস্টিটিউট এখন এই দর্শনকে পশ্চিমবঙ্গের ছাত্রছাত্রীদের কাছে আরও বিস্তৃতভাবে পৌঁছে দিচ্ছে এবং যেখানে শিক্ষাগত সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানেই তা চিহ্নিত ও বিকশিত করার জন্য একটি বৃহত্তর মঞ্চ তৈরি করছে।

নাম নথিভুক্ত ও যোগাযোগ

আগ্রহী ছাত্র ছাত্রী ও অভিভাবকরা সরকারি প্রচারপত্রে দেওয়া কিউআর কোড স্ক্যান করে VSAT ২০২৬-এর নাম নথিভুক্ত শুরু করতে এবং সম্পূর্ণ আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশিকা পেতে পারেন। তারা ইনস্টিটিউট এর ওয়েবসাইটে যেতে পারেন।

Subscribe to our magazine

━ more like this

Human Hair Industry Seeks Urgent Government Support to Protect MSMEs and Women’s Livelihoods

The Human Hair Processors & Exporters Meet brought together government officials, industry representatives and stakeholders to address the growing challenges faced by West Bengal’s...

OOPSroops LLP Presents‘Pujo-Z Checklist 2026: The Gen Z Festive Diary’Tradition Meets Tomorrow

Lord Ganesha, Goddess Lakshmi, Goddess Saraswati and Lord Kartik, the Gen Z kids of Maa Durga have landed on earth with their ‘Vahans’ and...

Delhi Public School Wins the Kolkata Edition of TCS InQuizitive 2026

Tata Consultancy Services (TCS) (BSE: 532540, NSE: TCS), a global leader in IT services, consulting, and business solutions, hosted the Kolkata edition of TCS...

THE IRISH HOUSE ARRIVES IN SALT LAKE SECTOR V

What happens when the workday ends in Sector V? The Irish House now has the answer.The popular pub and casual dining brand has opened...

Beyond the Miles: A Running Coach on Fitness, Strength and the Mindset to Run Better

As runners prepare for the Tata Steel World 25K Kolkata 2026, World Athletics' first Gold Label 25K race, which will be held on Sunday,...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here